৮:৩৭ এএম, ৫ আগস্ট ২০২০, বুধবার | | ১৫ জ্বিলহজ্জ ১৪৪১




অ্যাক্ট কোভিড-১৯ অনলাইন হ্যাকাথনে বিজয়ী ৩৬ প্রকল্প

১৩ জুন ২০২০, ১০:১৫ এএম | নকিব


এসএনএন২৪.কমঃ: অ্যাক্ট কোভিড-১৯ অনলাইন হ্যাকাথনের প্রথম সিজনে ৩৬টি প্রকল্প পুরস্কৃত হয়েছে। 

অনলাইনে প্রথমবারের মতো আয়োজিত হ্যাকাথনে ছয়টি ক্যাটাগরিতে ছয়টি শীর্ষস্থানসহ মোট ৩৬টি প্রকল্পকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়। 

আইসিটি বিভাগের সিনিয়র সচিব এন এম জিয়াউল আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। 

দেশের তরুণ বিজ্ঞানী, উদ্যোক্তা, উদ্ভাবক, সফটওয়ার ইঞ্জিনিয়ারদের জমা দেওয়া ৬৮১টি প্রকল্প থেকে ন্যাশনাল জুরিদের সাহায্যে যাচাই-বাছাই শেষে সিজন-১ এর গ্র্যান্ড ফাইনাল অনুষ্ঠানে ছয়টি ক্যাটাগরিতে ছয়টি প্রকল্পকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়। 

এছাড়া ছয়টি ক্যাটাগরিতে দু’টি করে রানার্সআপ পুরস্কার, দু’টি বিশেষ ক্যাটাগরিতে দু’টি পুরস্কার ও ১৬টি অনারেবল মেনশনসহ সর্বমোট ৩৬টি পুরস্কার ঘোষণা করা হয়। 

স্যোসিও ইকোনোমিক্যালি ডিজঅ্যাডভানটেজ পিপল
এ ক্যাটাগরিতে বিজয়ী আই সোশ্যাল এর ‘সুযোগ-এ ভার্চ্যুয়াল অপারেশনাল নেটওয়ার্ক টু সাপোর্ট দ্য বিওপি পপুলেশন’ নামের প্রকল্প।  এর টিম লিডার ছিলেন অনুপমা ইসলাম নিশো।  প্রথম রানার্স আপ হয় চালান এক্সওয়াইজেড এর ‘মানুষ.এআই' নামের একটি প্রকল্প যার টিম লিডার ছিলেন আবির রহমান।  দ্বিতীয় রানার্স আপ হন ভার্টিকাল ইনোভেশনস লিমিটেডের এর মো. মনিরুল ইসলাম।  তার প্রকল্পের নাম ‘আইওটি অ্যানাবলড অটো সলিউশন ফর ওএমএস ডিসট্রিবিউশন’। 

বিজনেস অপারেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন
এ ক্যাটাগরিতে বিজয়ী ল্যান্ডনক লিমিটেডের ‘ল্যান্ডনক: লাস্ট মাইল গ্রোসারি ম্যানেজমেন্ট অ্যাপ ফর দ্য পিপল হু ক্যান্ট ইনভেস্ট লার্জলি অন টেক। ’ এ প্রকল্পটির টিম লিডার ছিলেন মাহির আমিরুর রহমান ইরাম।  প্রথম রানার্স আপ হয় লন্ডন স্কুল অব কমার্স এর আদনান খানের ‘নিউ থ্রেড’ নামের একটি প্রকল্প।  দ্বিতীয় রানার্স আপ হন ইনাম বাংলাদেশ প্রাইভেট লিমিটেডের জোবাইদা সুলতানা চৌধুরী।  তার প্রকল্পের নাম ‘নেক্সট জেনারেশন স্মল বিজনেস প্লাটফর্ম। ’

হেলথ কেয়ার ইকুয়পমেন্ট অ্যান্ড ট্রিটমেন্ট
এ ক্যাটাগরিতে বিজয়ী হয়েছে থিংক ব্রিকস এর ‘পাওয়ারড এয়ার পিউরিফায়িং রেস্পিরেটর (পিএপিআর)। ’ প্রকল্পটির টিম লিডার ছিলেন শিমুল হুদা।  প্রথম রানার্স আপ হয় বুয়েট এর আসিফ শাহরিয়ার সুস্মিত এর ‘র্যাডএ্যাসিস্ট: দ্য ফাস্ট এআই বেইজড টেলিরেডিওলজি সলিউশন ডেভলপড ইন বাংলাদেশ' নামের একটি প্রকল্প।  দ্বিতীয় রানার্স আপ হন ইজেনারেশন লিমিটেডের মুহাম্মাদ সুমন খান।  তার প্রকল্পের নাম ছিল সেন্ট্রাল আইসিইউ ম্যনেজমেন্ট অ্যান্ড মনিটরিং সিস্টেম। 

অ্যাকসেস টু ইনফরমেশন
এ ক্যাটাগরিতে বিজয়ী ইনোভেস টেকনোলজিস এর ‘নিরাপদ: স্টে হোম, স্টে সেফ, হেল্প বাংলাদেশ পুলিশ অর এনি কনসার্নড অথরিটি টু মনিটর অল দ্য পিপল হু আর ইন হোম কেয়ারাইনটাইন’ নামের প্রকল্প।  এর টিম লিডার ছিলেন মোহাম্মাদ মুনিরুল আলম।  প্রথম রানার্স আপ টগুমগু প্রাইভেট লিমিটেডের ‘ওয়ান স্টপ প্যারেন্টিং অ্যাপ বাই টগুমগু’।  এর টিম লিডার ছিলেন মো. জিল্লুল করিম।  দ্বিতীয় রানার্স আপ হন পিফিজার এর মো. অনিক আলম।  তার প্রকল্পের নাম ‘কোভিড-১৯ ডেটা অ্যানালিসিস টু ডিটারমাইন ক্রিটিকাল হেলথ, হাইজিন অ্যান্ড ইনফরমেশন অ্যাকসেস ফ্যাক্টর টু এ্যাসেস রিস্ক অ্যান্ড ডেভালপ মিটিগেশন অ্যান্ড প্রিভেনশন স্ট্রাটেজি ইন বাংলাদেশ। ’

মেন্টাল হেলথ
এ ক্যাটাগরিতে বিজয়ী ‘মনের বন্ধু’।  প্রকল্পটির টিম লিডার ছিলেন তওহীদা শিরোপা।  প্রথম রানার্স আপ হন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সুমাইয়া আজমি।  তার প্রকল্পের নাম ‘নির্ভানা: মেন্টাল হেলথ অ্যান্ড ওয়েল বিয়িং সাপোর্টস’ এবং দ্বিতীয় রানার্সআপ হয় নর্থসেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি, ইউএসএ এর জেসমিন আক্তার।  তার প্রকল্পের নাম ‘মনোসেবা: অ্যান অনলাইন সাইকলজিক্যাল সলিউশন’। 

অন্যান্য
এ ক্যাটাগরিতে বিজয়ী এএনটিটি রোবোটিক্স লিমিটেডের ‘লং ডিসটেন্স ডিজইনফেকশান প্রসিডিউর/সার্ভিস ফর লকড ডাউন এরিয়াস’ নামের একটি প্রকল্প।  প্রকল্পটির টিম লিডার ছিলেন সৈয়দ গোলাম ইয়ামুর আবদুল্লাহ।  প্রথম রানার্স আপ হয় ওয়াটসিটিজ এর ‘আলট্রাভায়োলেট জার্মিসাইডাল ইরাডিয়েশান বেইজড ডিজইনফেকশন বক্স' নামের একটি প্রকল্প যার টিম লিডার ছিলেন মুশফিকুর রহমান।  দ্বিতীয় রানার্স আপ হন ইউনিভার্সিটি অব ইনফরমেশন টেকনালোজি অ্যান্ড সাইন্স এর কে এম সাদিকুর রহমান।  তার প্রকল্পের নাম ছিল মানবতার ঘর। 

ওয়াটার এইড বাংলাদেশ এর 'কানেক্টিং দ্য আনকানেকটেড স্লাম ডুয়েলারর্স' এর জন্য হাসিন জাহান এবং প্রাভা হেলথ এর সিলভানা কিউ সিনহা তার ‘প্ৰান্ন: কোভিড+ পেশেন্ট ম্যানেজমেন্ট টুল’ এর জন্য বিশেষ পুরস্কার লাভ করেন।  এর বাইরে ১৬টি প্রকল্পকে অনারেবল মেনশন করা হয়। 

প্রধান অতিথির বক্তব্যে তথ্য ও যোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, এসব সলিউশনগুলোর সুবিধা যাতে দেশের মানুষ গ্রহণ করতে পারেন সে কারণে এগুলোকে স্টার্টআপে পরিণত করা হবে।  এজন্য স্টার্টআপ ফান্ড ও মেন্টরিংসহ সরকারের পক্ষ থেকে সবধরনের সহযোগিতা করা হবে। 

গত ৩০ মার্চে শুরু হওয়া এ অনলাইন হ্যাকাথনে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সাথে সহযোগী পার্টনার ছিলেন যথাক্রমে আইডিয়া প্রকল্প, স্টার্টআপ বাংলাদেশ, ওয়ার্ল্ডসামিট অ্যাওয়ার্ড, ঢাকা লাইভ, অ্যাঙ্করলেস বাংলাদেশ, বাংলাদেশ অ্যাঞ্জেলস, স্টার্টাপ অ্যাকসিলেটর, বেটার স্টোরিজ, জিপি অ্যাকসিলেটর, লাইটক্যাসেল, আর ভেঞ্চার, স্টার্টআপ ঢাকা, স্ট্যার্টআপ চট্টগ্রাম, ইয়ুথ কো. ল্যাব, ওয়াইগ্যাপ, ইউএনসিডিএফ, ইউল্যাব, ডিজিটাল খিচুরি, টার্টেল ভেঞ্চার এবং ভেঞ্চার ক্যাপিটাল পার্টনার অ্যাসোসিয়েশন বাংলাদেশ।