৪:২৯ এএম, ৩০ অক্টোবর ২০২০, শুক্রবার | | ১৩ রবিউল আউয়াল ১৪৪২




ময়মনসিংহের ফুলপুরে রহিমগঞ্জ বরুয়াই তিলাটিয়া জলাবদ্ধতা নিরসনে ইউএনও ও উপজেলা চেয়ারম্যান

২৬ আগস্ট ২০২০, ১১:৩১ এএম | নকিব


মিজানুর রহমান, ময়মনসিংহ প্রতিনিধিঃ ময়মনসিংহের ফুলপুরে মঙ্গবার দুপুরে ফুলপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার শীতেষ চন্দ্র সরকার ও ফুলপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আতাউল করিম রাসেল ৭ নং রহিমগঞ্জ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আবু সাঈদ ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য স্থানীয় গণ্যমান্য মুরব্বিয়ান বরুয়াই তিলাটিয়া অঞ্চলে মনুষ্য সৃষ্টি ফিশারি করে সৃষ্ট জলাবস্থায় মানুষের কষ্ট দেখতে যান। 

তিলাটিয়া গ্রামের শামসুল হক (৬০) পিতা হাছেন আলী তিলাটিয়া দাদরা বাজার রাস্তার কালবার্ডের মুখে বাদ দিয়ে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি করে।  জলাবদ্ধতা নিরসনের জন্য কালভার্টের মুখের ভাদ খুলে দেন। 

ইউএনও শীতেষ চন্দ্র সরকার ও  উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আতাউল করিম রাসেল।  একই গ্রামের মুজাম্মেল হক(৫৫) পিতা মাহফুজ ফিশারি করে সরকারি রাস্তার কালভার্টের মুখে ফিশারি দিয়ে পানি চলাচল বন্ধ করে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি করেছে। 

দাদরা বাজার সংলগ্ন ২ নং ওয়ার্ড তিলাটিয়া গ্রামে রেহান পিতা ইদ্রিস আলী ২ নং ওয়ার্ড বরুয়াই গ্রামে অপরিকল্পিত ফিশারি দিয়ে এলাকার পানি রাংসা নদীতে যাওয়ার রাস্তা বন্ধ করে সৃষ্ট জলাবদ্ধতার সৃষ্টি করে।  এতে প্রায় শতাধিক বাড়িঘরের মানুষ বিপাকে পড়ে যায় এবং তলিয়ে যায় তাদের থাকার বসতভিটা।  জলাবদ্ধতা সৃষ্টি কারি ফিশারির মালিকপক্ষ নিজস্ব অর্থায়নে পানি নিষ্কাশনের জন্য ড্রেনেজ ব্যবস্থা করে দিবেন বলে স্বীকার করে সময়ের দাবি করেন।  পানি নিষ্কাশনের ড্রেনেজ ব্যবস্থা করার জন্য ১০ দিনের সময় দেওয়া হয়। 

ক্ষতিগ্রস্ত জলাবদ্ধতায় তলিয়ে গেছে ফসলি জমি।  জমির কৃষক বলছে ১০ দিন পর যদি পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করা হয় তাহলে কৃষক এই জমিতে জলাবদ্ধতার কারণে এবছর তারা আমন ধানের চাষ করতে পারবেনা।  না খেয়ে থাকতে হবে সন্তানাদি নিয়ে। 

এছাড়াও অনেকেই অপরিকল্পিতভাবে পুকুর মৎস্য খামার বাড়ির আঙ্গিনায় মাটি কেটে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি করছে।