৯:০৬ এএম, ২৮ নভেম্বর ২০২১, রোববার | | ২২ রবিউস সানি ১৪৪৩




নাসির-তামিমার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির আবেদন

৩০ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০২:১৩ পিএম |


এসএনএন২৪ ডেস্ক:

ডিভোর্স না দিয়ে অন্যের স্ত্রীকে বিয়ে করার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় ক্রিকেটার নাসির হোসাইন, তার স্ত্রী তামিমা সুলতানা তাম্মি এবং তাম্মির মা সুমি আক্তারের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির আবেদন করা হয়েছে। 

বৃহস্পতিবার (৩০ সেপ্টেম্বর) ঢাকা মহানগর হাকিম মোহাম্মদ জসীমের আদালতে রাকিবের পক্ষে এ আবেদন করেন তার আইনজীবী ইশরাত জাহান।  আদালত নথি পর্যালোচনা করে আদেশ দেবেন বলে জানিয়েছেন। 

এদিন মামলাটি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ধার্য ছিল।  মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) পরিদর্শক মিজানুর রহমান তিনজনকে অভিযুক্ত করে প্রতিবেদন জমা দেন।   

প্রতিবেদনে বলা হয়, তামিমার আগের স্বামী রাকিব হাসানকে ডিভোর্স দেওয়া সংক্রান্ত কাগজপত্র জালিয়াতির মাধ্যমে তৈরি করা হয়েছে।  নাসিরকে বিয়ের আগে রাকিবকে ডিভোর্স দেননি তামিমা।  স্বামী থাকা অবস্থায় অবৈধ বৈবাহিক সম্পর্ক দেখিয়ে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনের মাধ্যমে তারা ৪৬৮/৪৭১/৪৯৪/৪৯৭/৫০০/৩৪ ধারায় অপরাধ করেছেন মর্মে প্রাথমিকভাবে প্রমাণ হয়েছে।  এ প্রতিবেদন আদালতে দাখিলের পর বাদীপক্ষ আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির আবেদন করে। 

গত ২৪ ফেব্রুয়ারি তামিমার আগের স্বামী রাকিব হাসান বাদী হয়ে মামলা করেন। 

মামলায় আগের বিয়ে গোপন থাকা অবস্থায় অন্যত্র বিয়ে, অন্যের স্ত্রীকে প্রলুব্ধ করে নিয়ে যাওয়ায় মানহানির অভিযোগ আনা হয়েছে। 

অভিযোগ থেকে জানা গেছে, ২০১১ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি তামিমা ও রাকিবের বিয়ে হয়।  তাদের আট বছরের একটি মেয়েও রয়েছে।  তামিমা পেশায় একজন কেবিন ক্রু।  চলতি বছরের ১৪ ফেব্রুয়ারি তামিমা ও ক্রিকেটার নাসির হোসেনের বিয়ের ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে, তা রাকিবের নজরে আসে।  পরে মিডিয়ায় তিনি ঘটনার বিষয়ে জানেন। 

মামলায় আরও বলা হয়, তামিমা ও নাসিরের এমন অনৈতিক ও অবৈধ সম্পর্কের কারণে রাকিব ও তার শিশু কন্যা মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছেন।  আসামিদের এমন কর্মকাণ্ডে রাকিবের চরমভাবে মানহানি হয়েছে।