২:২৮ পিএম, ২০ জানুয়ারী ২০২২, বৃহস্পতিবার | | ১৬ জমাদিউস সানি ১৪৪৩




স্মারকগ্রন্থ উৎসবে বক্তারা

হাফিজুর রহমান বিএবিটি শুধু শিক্ষক নন তিনি সুফি সাধক ছিলেন

৩১ অক্টোবর ২০২১, ১০:০৯ এএম |


এসএনএন২৪.কম: হাফিজুর রহমান বিএবিটি শুধু শিক্ষক নন তিনি সুফি সাধক ছিলেন শিক্ষাবিদ ও কবি মৌলভী হাফিজুর রহমান বিএবিটির স্মারকগ্রন্থ ‘দিব্যলোকের মহাযাত্রী’র প্রকাশনা উৎসবে বক্তারা এসব কথা বলেন।  বক্তারা হাফিজুর রহমান বিএবিটিকে শিক্ষায় ও মুক্তিযুদ্ধে রাষ্ট্রীয় সম্মাননা দেওয়ার দাবিও জানান। 

শনিবার (৩০ অক্টোবর) বিকেলে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের বঙ্গবন্ধু হলে এ প্রকাশনা উৎসব অনুষ্ঠিত হয়।  চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের সাবেক চেয়ারম্যান প্রফেসর আহমদ হোসেনের সভাপতিত্বে প্রকাশনা উদযাপন কমিটির সদস্য সচিব লেখক-সাংবাদিক শওকত বাঙালি অনষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন।   

উৎসবে আলোচক হিসাবে উপস্থিত ছিলেন কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির সাবেক উপাচার্য প্রফেসর ড. আবুল কাসেম, আগ্রাবাদ মহিলা কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ প্রফেসর ড. আনোয়ারা আলম, বীর মুক্তিযোদ্ধা আবু তাহের মাসুদ।   

এতে শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন প্রকাশনা উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক সাংবাদিক খোরশেদুল আলম শামীম, প্রধান সমন্বয়কারী লেখক-সংগঠক মঈনুদ্দীন কাদের লাভলু, সমন্বয়কারী সাংবাদিক সাইদুল ইসলাম।  স্বাগত বক্তব্য দেন গ্রন্থের সম্পাদক মোহাম্মদ হুমায়ূন করিম চৌধুরী।   

এ সময় পরিবারের পক্ষে কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করে মরহুমের ছেলে মুসলেহ্উদ্দিন মুহম্মদ বদরুলের লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন মরহুমের নাতি মুনতাসীর মামুন। 

ড. আবুল কাসেম বলেন, কবিতায় হাফিজুর রহমানের ভাষার অগাধ পাণ্ডিত্য আর সাহিত্যের গভীর চর্চা অনবদ্য।  এসব নিয়ে আরও বেশি গবেষণা ও চর্চা হোক। 

ড. আনোয়ারা আলম বলেন, মৌলভী হাফিজুর রহমান বিএবিটি শিক্ষাকে ব্রত করেছিলেন, বিত্তকে নয়।  আলোকিত সমাজ গড়তে মৌলভী হাফিজুর রহমান বিএবিটি’র আদর্শ লালন করতে হবে, ধারণ করতে হবে মনন ও মানসিকতায়। 

আলোচনায় আরও অংশ নেন দৈনিক নয়াবাংলার সম্পাদক জেডএম এনায়েতুল্লাহ, বিএফইউজের যুগ্ম মহাসচিব মহসীন কাজী, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের ইংরেজী বিভাগের অধ্যাপক মো:;দৈলত উল্লাহ,বিমা ব্যক্তিত্ব মোহাম্মদ আলী, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মেজবাহ উদ্দিন আকবর, লেখক-সংগঠক মহসিন চৌধুরী, অ্যাডভোকেট আহমদ হোসেন ও মইনুল আলম টিপু, অধ্যাপক দৌলতুর রহমান চৌধুরী, মো. লিয়াকত আলী, আজম খান, আওয়ামী লীগ নেতা মোজাফফর সালাম মুবিন, ব্যবসায়ী শফিউল আলম, হাফিজুর রহমান বিএবিটির নাতনি লুৎফুর রহমান আনিকা প্রমুখ। 

অনুষ্ঠানে মহসীন কাজী বলেন, হাফিজুর রহমান বিএবিটি’র অপ্রকাশিত রচনাবলি প্রকাশের উদ্যোগ নিতে হবে।  আলোকিত শিক্ষাবিদ হিসেবে রাষ্ট্রীয়ভাবে তাকে সম্মানিত করলে সমাজ সম্মানিত হবে। 

স্মারকগ্রন্থের সম্পাদক মোহাম্মদ হুমায়ুন করিম চৌধুরী বলেন, ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় মৌলভী হাফিজুর রহমান বিএবিটি আধ্যাত্মিকতার শক্তিতে ফটিকছড়ির নানুপুর আবু সোবহান স্কুলে আশ্রয় নেওয়া হাজারো শরণার্থীর জীবন বেঁচেছিল। 

অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মরহুমের পুত্র হেলাল উদ্দিন মুহম্মদ কামরুল, নাতি সাংবাদিক আল রাহমান, মাসিক ফটিকছড়ির সম্পাদক সৈয়দ তারেকুল আনোয়ার,সাংবাদিক নকিব ছিদ্দিকী প্রমুখ।