২:০৮ পিএম, ২০ জানুয়ারী ২০২২, বৃহস্পতিবার | | ১৬ জমাদিউস সানি ১৪৪৩




চট্টগ্রামে অধিকাংশ টিকাদান কেন্দ্রে স্বাস্থ্যবিধি না মেনেই শিক্ষার্থীদের ভ্যাকসিন প্রদান

১১ জানুয়ারী ২০২২, ০১:৫০ পিএম |


নকিব ছিদ্দিকী:

স্বাস্থ্যবিধি না মেনেই চট্টগ্রামে শুরু হয়েছে মাধ্যমিক স্কুল শিক্ষার্থীদের টিকা প্রদান কার্যক্রম ।  টিকা নিতে লাইনে দাঁড়ানো বিভিন্ন স্কুলের শিক্ষার্থীদের অধিকাংশের মুখে নেই মাস্ক।  নেই সামাজিক দূরত্ব।  আগ্রহ নেই স্বাস্থ্যবিধি মানার।  দেখে বোঝার উপায় নেই এটি কোনও টিকাদান কেন্দ্র।  চট্টগ্রামে শুরু হওয়া ১২ থেকে ১৮ বছরের শিশুদের টিকাদান কার্যক্রম চলছে।  সোমবার (১০ জানুয়ারি) সকাল ৮টা থেকে চট্টগ্রামে অধিকাংশ টিকাদান কেন্দ্রে স্বাস্থ্যবিধি না মেনেই শিক্ষার্থীদের ভ্যাকসিন প্রদানে আগ্রাবাদ এক্সেস রোডের আব্দুল্লাহ কমিউনিটি সেন্টার, সিরাজউদ্দৌল্লা রোডের হল সেভেন-ইলাভেনের টিকাদান কেন্দ্রে সামনে করোনা ভ্যাকসিন নিতে লাইনে দাঁড়ানো শিক্ষার্থীদের এ অবস্থায় দেখা যায়।   তিন কমিউনিটি সেন্টার ছাড়াও নগরের ৫টি স্কুলে।  কোথাও স্বাস্থ্যবিধি মানার বালাই নেই।  অভিভাবকরা বলেন, ‘টিকা দিতে এসে উল্টো ছেলে-মেয়েদের ঝুঁকির মুখে ফেলছি।  কেউ স্বাস্থ্যবিধি মানছে না।  প্রশাসন থেকেও সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করতে কোন উদ্যোগ নেয়নি।  স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগের মাধ্যমে স্বাস্থ্য সচেতনতা নিশ্চিত করা যেতো।  শিক্ষার্থীরা জানান, গরমে দীর্ঘক্ষণ লাইনে দাঁড়ানোর ফলে তাদের পা ব্যথা করছে।  এখানে হাত ধোয়ারও ব্যবস্থা নেই।  ভিড়ের মধ্যে কয়েকজন শিক্ষার্থীকে অসুস্থতাবোধ করতে দেখা যায়।  জানাযায়, চট্টগ্রামে সিটি কর্পোরেশন এলাকায় ২৫ হাজার শিক্ষার্থী এবং উপজেলাগুলোতে ৫০ হাজার শিক্ষার্থীকে টিকা দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা ঠিক করা হয়েছে।  যারা টিকাদান কার্যক্রমের আওতায় আসবে না, তাদের ক্লাসে আসতে দেওয়া হবে না।  তবে আরো দেখা যায় যে, শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি অভিভাবকরাও স্বাস্থ্যবিধি মানতে উদাসীন।  অধিকাংশ অভিভাবকের মুখে নেই মাস্ক।  চট্টগ্রাম জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা ফরিদুল হোসাইনী জানান, টিকাদান কেন্দ্রগুলোতে ভিড় দেখে জেলা প্রশাসককে বিষয়টি জানানো হয়েছে।  তিনি ব্যবস্থা নিচ্ছেন।   এদিকে, চট্টগ্রাম জেলা সিভিল সার্জন ডা.ইলিয়াছ চৌধুরী জানান, নগরের পাশাপাশি ১৪ উপজেলায় চলছে টিকাদান কার্যক্রম।  এসব উপজেলায় লোকবলের সক্ষমতার ওপর ভিত্তি করে এ কার্যক্রম চালানো হচ্ছে।