১০:০৩ পিএম, ১৬ মে ২০২২, সোমবার | | ১৪ শাওয়াল ১৪৪৩




কোনো স্বস্তি নেই ইফতারের অনুষঙ্গ লেবু-শসার বাজারে 

০৪ এপ্রিল ২০২২, ১০:৪২ এএম |


নকিব ছিদ্দিকী:

কোনো স্বস্তি নেই।  ইফতারির প্রতিটি কাঁচা পণ্যের দামই তাঁদের নাগালের বাইরে।  শসা, লেবু, বেগুন, কাঁচা মরিচ—সবকিছুরই দাম বেড়েছে। আর গত সপ্তাহে বিভিন্ন বাজারে খুচরা পর্যায়ে প্রতি কেজি শসার দাম ছিল মানভেদে ৩৫-৪৫ টাকা।  গতকাল রোববার তা বিক্রি হয়েছে ৭০-৮০ টাকায়।  প্রতি কেজি লম্বা বেগুনের দাম ছিল ৪০-৪৫ টাকা।  গতকাল তা বিক্রি হয়েছে ৮০-১০০ টাকায়।  প্রতি কেজি কাঁচা মরিচের দাম ছিল ৬০-৭০ টাকা।  গতকাল তা ৮০-৯০ টাকায় বিক্রি হয়েছে।  সারাদিন রোজা রাখার পর তৃষ্ণার্ত হৃদয়ে এক গ্লাস লেবুর শরবত যেন মরুভূমিতে এক পশলা বৃষ্টি।  তীব্র গরমে দিন শেষে ইফতারে এমন স্বস্তির পরশ পেতে চায় সব রোজাদারই।   এবার রমজানে ইচ্ছে থাকলেও কিনতে পারবেন না ইফতারের নিত্য অনুষঙ্গ লেবু।  সাধারণ সময়ে যে লেবু প্রতি পিচ ৬-৮ টাকায় বিক্রি হতো সেটি প্রকারভেদে বিক্রি হচ্ছে ১৫-২০ টাকায়।   এমনিতেই দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে সব নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য মধ্য ও নিম্নবিত্তের ক্রয়ক্ষমতার বাহিরে।  সেখানে রোজায় ছোটখাটো এসব পণ্যের দাম বৃদ্ধি অস্বস্তিতে ফেলেছে সাধারণ ক্রেতাকে।   চট্টগ্রাম নগরীর বিভিন্ন কাঁচাবাজার ঘুরে দেখা গেছে, বড় সাইজের প্রতিটি লেবু কিনতে দিতে হবে ২০-২৫ টাকা, এছাড়া ছোট সাইজের লেবু হলে দাম পড়বে ১২-১৫ টাকা এবং মাঝারি সাইজের প্রতিটি লেবুর দাম ১৬-১৮ টাকা।  অর্থাৎ বড় সাইজের এক হালি লেবু কিনতে হলে খরচ করতে হবে ১০০ টাকা।  ধনেপাতা ২৫০ গ্রামের দাম ৩০ টাকা, ২০০ গ্রাম পুদিনা পাতার দাম পড়বে ৪০ টাকা, গাজর প্রতি কেজি কিনতে খরচ করতে হবে ৬০ টাকা।  এদিকে সাধারণ ক্রেতারা বলছেন, রমজান এলেই একটি সিন্ডিকেট তৎপর হয়ে ওঠে।  এমনিতেই নিত্যপণ্যের দামে ঊর্ধ্বগতি।  তার ওপর ছোটখাট পণ্যগুলোর দাম বৃদ্ধি নতুন করে ভাবনার কারণ।  মানুষ এতটাই অসহায়, চাইলেও ভালোভাবে ইফতার করতে পারবে না।  সরকারের উচিত বাজারে মনিটরিং বাড়ানো।   বিক্রেতারা বলছেন, ‘আমরা ইচ্ছে করে দাম বাড়াতে পারি না।  অতিরিক্ত দামে কিনে আনতে হয় বলে বেশি দামে বিক্রি করি।  আমাদের কিছু করার থাকে না’।   


keya