২:৪৭ পিএম, ১৯ আগস্ট ২০২২, শুক্রবার | | ২১ মুহররম ১৪৪৪




দারুল ইরফান রিসার্চ ইনস্টিটিউটের উদ্যোগে প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

২৪ জুন ২০২২, ০৮:০৫ পিএম |


নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

“বৈশ্বিক করোনা মহামারী ব্যাপক বিরূপ প্রভাব ফেলেছে আমাদের শিক্ষার্থী ও শিক্ষাঙ্গনে।  

করোনা মহামারীর কারণে দীর্ঘ ১৮ মাস শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সশরীরে বন্ধ থাকায় শিক্ষার্থীদের মাঝে বহুবিধ অনভ্যস্থতা তৈরি হয়েছে।  শিক্ষার্থীগণ সামাজিক বাঁধার সম্মুখীন হচ্ছে।  শিক্ষকদের মান্য না করার প্রবনতা দেখা যাচ্ছে। 

 শিক্ষার্থীদের মধ্যে সহনশীল আচরণ লোপ পেয়ে বৃদ্ধি পাচ্ছে মানসিক  সমস্যা।  শিক্ষার্থীগণ পরিবর্তিত প্রতিষ্ঠান , পাঠ্যক্রম ও পরিবেশ পরিস্থিতির সাথে খাপ খাওয়ানোর ক্ষেত্রে সহায়ক ভূমিকা পালন করতে ব্যর্থ বা সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে।  তাই, উল্লেখিত সমস্যাসমূহের সমাধান করা স্বাভাবিক শিক্ষা-পরিবেশ ফিরিয়ে আনা জরুরী।  সেজন্য শিক্ষক, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের জন্য সম্মিলিত কাউন্সিলিং অত্যাবশ্যক হয়ে পড়েছে। ” সাজ্জাদানশীন  শাহ্ সুফি সৈয়দ এমদাদুল হক মাইজভান্ডারী (মঃ) কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত দারুল ইরফান রিসার্চ ইনস্টিটিউট এর উদ্যোগে ২৪ জুন ২০২২ শুক্রবার “ শীর্ষক শিরোনামে দিনব্যাপী আয়োজিত প্রশিক্ষণ কর্মশালায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোবিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. কামাল উদ্দিন একথা বলেন। 

তিনি আরো বলেন, শিক্ষার তত্ত্বগত ধারণা, বাস্তব পরিবেশ ইত্যাদি বিষয়ে খাপ-খাওয়াতে ও শিক্ষার্থীদের সঠিক বিকাশে অভিভাবক ও শিক্ষক উভয়কে সচেতন হতে হবে।  সম্মানিত শিক্ষক সমাজকে সম্মুখে থেকে সমাধানের পথ খুঁজে বের করা ও সম্ভাব্য সমাধানের নেতৃত্ব দিতে হবে।  শিক্ষকদের পাশাপাশি অভিভাবকদের ও প্রশিক্ষণ অতীব জরুরী হয়ে পড়েছে।  

উক্ত প্রশিক্ষণ কর্মশালার সভাপতিত্ব করেন দারুল ইরফান রিসার্চ ইনস্টিটিউট এর ম্যানেজিং ট্রাস্টি নায়েব সাজ্জাদানশীন সৈয়দ ইরফানুল হক মাইজভান্ডারী (মঃ)। 

 তিনি আরো বলেন, মাইজভা-ারী তরিকার উছুলে ছাবয়া বা সপ্ত কর্ম পদ্ধতি ছোট বেলা থেকে চর্চা করতে হবে।  এই সপ্ত পদ্ধতি পালনে অভ্যস্ত হলে মানসিক সমস্যাসহ অনেক সমস্যা সমাধান করা সহজ হবে।  ষড়রিপুর বিনাশ সাধনে সপ্ত পদ্ধতি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।  

প্রশিক্ষণ কর্মশালায় বিশেষ অতিথি হিসেবে অংশগ্রহণ করেন রাউজান উপজেলার মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জনাব মোঃ মনিরুজ্জামান এবং প্রশিক্ষণার্থী হিসেবে ৭টি সরকারী ও বেসরকারী কলেজ, ৪৫টি উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ১৭ টি মাদ্রাসা, ১৯ টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ, প্রভাষক, প্রধান শিক্ষক, সহকারী শিক্ষক, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী এবং দারুল ইরফান রিসার্চ ইনস্টিটিউট এর সহযোগী সদস্যসহ মোট ১০৩ জন অংশগ্রহণ করেন। 


keya