১০:০২ এএম, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২২, সোমবার | | ২৯ সফর ১৪৪৪




বিশ্বে করোনায় মোট শনাক্ত ছাড়াল ৫৭ কোটি, বেড়েছে মৃত্যুর সংখ্যা

২১ জুলাই ২০২২, ১০:১৬ এএম |


এসএনএন২৪.কমঃ চলমান করোনাভাইরাস মহামারিতে বিশ্বজুড়ে দৈনিক মৃত্যুর সংখ্যা আরও বেড়েছে।  গত ২৪ ঘণ্টায় বিশ্বে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন প্রায় এক হাজার ৭০০ জন। 

একই সময়ে ভাইরাসটিতে নতুন করে আক্রান্তের সংখ্যা নেমে এসেছে ৮ লাখের নিচে।   

গত ২৪ ঘণ্টায় বিশ্বজুড়ে সবচেয়ে বেশি সংক্রমণ ও প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে যুক্তরাষ্ট্রে।  দৈনিক প্রাণহানির তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে ব্রাজিল।  এ তালিকায় এরপরই রয়েছে ইতালি, মেক্সিকো, ফ্রান্স, অস্ট্রেলিয়া ও তাইওয়ান।  এতে বিশ্বব্যাপী করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ছাড়িয়েছে ৫৭ কোটি।  অন্যদিকে মৃতের সংখ্যা ছাড়িয়েছে ৬৩ লাখ ৯৪ হাজার। 

বৃহস্পতিবার (২১ জুলাই) সকালে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত, মৃত্যু ও সুস্থতার হিসাব রাখা ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডোমিটারস থেকে এ তথ্য পাওয়া গেছে।  সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় সারা বিশ্বে করোনায় আক্রান্ত ১ হাজার ৬৭০ জনের মৃত্যু হয়েছে।  অর্থাৎ আগের দিনের তুলনায় মৃত্যুর সংখ্যা বেড়েছে প্রায় একশো।  এতে বিশ্বজুড়ে মৃতের সংখ্যা পৌঁছেছে ৬৩ লাখ ৯৪ হাজার ৬০ জনে। 

একই সময়ের মধ্যে ভাইরাসটিতে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ৭ লাখ ৯৮ হাজার ২৯১ জন।  অর্থাৎ আগের দিনের তুলনায় নতুন শনাক্ত রোগীর সংখ্যা কমেছে প্রায় ১৭ হাজার।  এতে মহামারির শুরু থেকে এ পর্যন্ত ভাইরাসে আক্রান্ত মোট রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫৭ কোটি ৫ লাখ ১২ হাজার ৯২৯ জনে। 

গত ২৪ ঘণ্টায় বিশ্বে করোনায় সবচেয়ে বেশি সংক্রমণ ও প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে যুক্তরাষ্ট্রে।  এই সময়ের মধ্যে দেশটিতে নতুন করে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ১ লাখ ১০ হাজার ৮৬৮ জন এবং মৃত্যু হয়েছে ৩৬৭ জনের।  দেশটিতে এখন পর্যন্ত ৯ কোটি ১৭ লাখ ১২ হাজার ৭৭৪ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন এবং ১০ লাখ ৫০ হাজার ৬৫৬ জনের মৃত্যু হয়েছে।   

দৈনিক প্রাণহানির তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা ব্রাজিলে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়ে ৩৫১ জনের মৃত্যু হয়েছে।  নতুন করে সংক্রমিত হয়েছেন ৫৬ হাজার ২৫৪ জন।  অপরদিকে মহামারির শুরু থেকে এ পর্যন্ত দেশটিতে মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ৩ কোটি ৩৪ লাখ ৫৪ হাজার ২৯৪ জন এবং মৃত্যু হয়েছে ৬ লাখ ৭৬ হাজার ২৮০ জনের। 

ফ্রান্সে নতুন করে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ৮৯ হাজার ৯৮২ জন এবং মারা গেছেন ১২৫ জন।  করোনা মহামারির শুরু থেকে এই দেশটিতে এখন পর্যন্ত ৩ কোটি ৩২ লাখ ৫৮ হাজার ৪৮১ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন এবং ১ লাখ ৫১ হাজার ১০৪ জনের মৃত্যু হয়েছে।  একইসময়ে দক্ষিণ কোরিয়ায় নতুন করে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ৭৬ হাজার ৩৭৮ জন এবং মৃত্যু হয়েছে ১২ জনের। 

ইতালিতে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ৮৬ হাজার ৬৭ জন এবং ১৫৭ জনের মৃত্যু হয়েছে।  ইউরোপের এই দেশটিতে এখন পর্যন্ত ২ কোটি ৩ লাখ ৮৫ হাজার ৮১৪ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন এবং মৃত্যু হয়েছে ১ লাখ ৭০ হাজার ৩৭০ জনের।   

মেক্সিকোতে নতুন করে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ৩৪ হাজার ৯৫ জন এবং ১৩৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। 

তাইওয়ানে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় মৃত্যু হয়েছে ৫৭ জনের এবং নতুন করে ভাইরাসে সংক্রমিত হয়েছেন ২৭ হাজার ১৯৬ জন।  এছাড়া মহামারির শুরু থেকে এ পর্যন্ত দেশটিতে মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ৪৩ লাখ ৩৭ হাজার ৭৬ জন এবং মৃত্যু হয়েছে ৮ হাজার ৩১৮ জনের।  একইসময়ে ইরানে নতুন করে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ৭ হাজার ৯৩ জন এবং মারা গেছেন ৩২ জন। 

রাশিয়ায় গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে ৩৭ জনের এবং নতুন করে ভাইরাসে সংক্রমিত হয়েছেন ৫ হাজার ৬৮৫ জন।  এছাড়া মহামারির শুরু থেকে এ পর্যন্ত দেশটিতে মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ১ কোটি ৮৫ লাখ ৪ হাজার ৭২৯ জন এবং মৃত্যু হয়েছে ৩ লাখ ৮১ হাজার ৯৯৭ জনের।  একইসময়ে নিউজিল্যান্ডে নতুন করে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ১০ হাজার ৬৯৬ জন এবং মৃত্যু হয়েছে ৩৪ জনের। 

জাপানে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ৮১ হাজার ৩৬২ জন এবং ৩৩ জনের মৃত্যু হয়েছে।  করোনা মহামারির শুরু থেকে পূর্ব এশিয়ার এই দেশটিতে এখন পর্যন্ত ১ কোটি ৪ লাখ ৬৯ হাজার ৪৪০ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন এবং ৩১ হাজার ৬৪৩ জনের মৃত্যু হয়েছে।  একইসময়ে হাঙ্গেরিতে নতুন করে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ১০ হাজার ২৫৫ জন এবং মৃত্যু হয়েছে ৪০ জনের। 

এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় অস্ট্রেলিয়ায় নতুন করে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ৪৮ হাজার ৯৭১ জন এবং মৃত্যু হয়েছে ৯০ জনের।  একইসময়ে থাইল্যান্ডে নতুন করে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ২ হাজার ৮৮৬ জন এবং মৃত্যু হয়েছে ১৯ জনের।  চিলিতে নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৭ হাজার ২৩ জন এবং ৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। 

২০১৯ সালের ডিসেম্বরে চীনের উহানে প্রথম করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়।  এরপর ২০২০ সালের ১১ মার্চ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) করোনাকে ‘বৈশ্বিক মহামারি’ হিসেবে ঘোষণা করে।  


keya