৫:৫০ এএম, ৮ ডিসেম্বর ২০২২, বৃহস্পতিবার | | ১৪ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৪




কদলপুরে মহিউদ্দিন হত্যার আসামী মান্নান জামিনে এসে ঘরের মালামাল লুটের অভিযোগ

২৪ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০৯:৪৩ পিএম |


রাউজান প্রতিনিধিঃ

রাউজানের আপন তিন ভাই এর হাতে হত্যা-ের শিকার কদলপুর ইউনিয়নের মহিউদ্দিন হত্যা মামলার আসামী ইসাহাক মিয়া চৌধুরীর পুত্র আবদুল মান্নান চৌধুরী জামিনে এসে নিহত ভাই মহিউদ্দিনের ঘরের তালা ভেঙ্গে মালামাল লুটে নিয়েছে বলে অভিযোগ করেছে মহিউদ্দিনের পুত্র আতিকুল ইসলাম মিশাল।  গত ২০১৭ সালের ২ নভেম্বর কদলপুর নিজ বাড়ীতে তিন ভাই আবদুল মান্নান, জসিম উদ্দিন ও ইসবাব উদ্দিন বাবু তিনজন মিলে মহিউদ্দিনকে পিটিয়ে হত্যা করেছিল।  এই ঘটনায় মহিউদ্দিনের স্ত্রী আকলিমা খানম কোহিনুর বাদী হয়ে থানায় মামলা করলে খুনের মামলায় আবদুল মান্নান গ্রেফতার হয়ে হাজত বাসে ছিল।  খুনি আবদুল মান্নান জামিনে এসে গত ১৯ সেপ্টেম্বর মহিউদ্দিনে তালাবদ্ধ ঘরের তালা ভেঙ্গে মালামাল লুট করে নেয় বলে মিশাল অভিযোগ করেন।  জানা যায়, হত্যাকা-ের পর থেকে মহিউদ্দিনের পরিবারে ঘরে তালা লাগিয়ে শহরের বাসা বাসায় চলে গিয়েছিলেন।  এই খুনের মামলায় মহিউদ্দিনের মা হাছিনা বেগম আদালতে খুনি তিন পুত্র আবদুল মান্নান, জসিম উদ্দিন ও ইসবাব উদ্দিন বাবু ও বিরুদ্ধে খুনের অভিযোগ করে আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্ধি দিয়েছিলেন।  মহিউদ্দিনের স্ত্রী আকলিমা খানম সংবাদ কর্মীদের কাছে অভিযোগ করে বলেছেন আবদুল মান্নান জামিনে এসে তার ছেলে মেয়েকে নানা ভাবে হুমকি দিয়ে মামলা উঠিয়ে নিতে চাপ দিচ্ছে।  এটা করা না হলে মেরে ফেলার হুমকি দিচ্ছে।  তিনি বিষয়টি জানিয়ে রাউজান থানায় গত ২২ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার অভিযোগ করেছেন।  এদিকে জামিনে থাকা খুনের মামলার আবদুল মান্নান মহিউদ্দিেেনর তালাবদ্ধ ঘরের মালামাল লুটের ঘটনা অস্বীকার করে বলেন আমার রান্নাঘর থেকে আমার মালামাল নিয়েছি।  তার অভিযোগ তার ভাইপো মিশাল বাড়ির সামনে আমাদের নিজস্ব কবরস্থানে রোপন করার গাছের চারা গত শুক্রবার রাতে ভেঙ্গে দিয়ে গেছে।  এ ব্যাপারে জানতে চাইলে রাউজান থানার ওসি আবদুৃল্লাহ আল হারুন বলেন, কদলপুরে মহিউদ্দিন হত্যা মামলার আসামী ভাই আবদুল মান্নান চৌধুরী হত্যা মামলায় জামিনে আছে।  ঘরের মালামাল লুটের অভিযোগ পেয়ে থানা পুলিশ সেখানে গিয়ে স্থানীয় মেম্বার হাশেম কমান্ডারের উপস্থিতিতে নতুন একটি তালা লাগিয়ে দিয়ে চাবি মহিউদ্দিনের পরিবারের সদস্যদের কাছে দেয়া হয়েছে। 


keya