৬:১৪ পিএম, ২৫ জুলাই ২০২৪, বৃহস্পতিবার | | ১৮ মুহররম ১৪৪৬




শেষ বছরে রফতানি আয়ে রেকর্ড, প্রবৃদ্ধি বেড়ে ৬. ৬৭ শতাংশ

০৩ জুলাই ২০২৩, ১০:২৬ পিএম |


এসএনএন২৪ ডেস্ক: বিদায়ী অর্থবছরে আগের অর্থবছরের তুলনায় বিশ্ববাজারে বাংলাদেশের তৈরি পণ্য রফতানি বেড়েছে ৩৪৭ কোটি ৬১ লাখ ১০ হাজার মার্কিন ডলার।  সোমবার (৪ জুলাই) রফতানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।  ইপিবির তথ্যমতে, জুলাই ২০২২ থেকে ৩০ জুন ২০২৩ পর্যন্ত বিশ্ববাজারে ৫ হাজার ৫৫৫ কোটি ৮৭ লাখ ৭০ হাজার মার্কিন ডলার সমপরিমাণ মূল্যের পণ্য রফতানি করেছে বাংলাদেশ।  এর আগের অর্থবছর ২০২১-২২ সালে রফতানি আয় হয়েছিল ৫ হাজার ২২৮ কোটি ২৬ লাখ ৬০ হাজার মার্কিন ডলার।  অর্থাৎ আগের অর্থবছরের তুলনায় রফতানি আয় বেড়েছে ৩৪৭ কোটি ৬১ লাখ ১০ হাজার মার্কিন ডলার।  অর্থাৎ রফতানি প্রবৃদ্ধি বেড়েছে ৬ দশমিক ৬৭ শতাংশ।  তবে বছরের যা মোট রফতানির লক্ষ্যমাত্রা ছিল সেটি পূরণ হয়নি।  লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে আয় কমেছে ৪ দশমিক ২১ শতাংশ।  আর প্রধান রফতানি পণ্য তৈরি পোশাকে বছর শেষে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১০ দশমিক ২৭ শতাংশ।  ডলার-সংকট নিয়ে বছরখানেক ধরেই দেশের অর্থনীতি চাপের মধ্যে রয়েছে।  আর বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের মূল দুই উৎস হচ্ছে প্রবাসী আয় ও পণ্য রফতানি।  রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে দুটি উৎস থেকেই গত বছরের শেষ দিকে বৈদেশিক মুদ্রা আসা কিছুটা কমে যায়।  তবে পরে আবার তা ঘুরেও দাঁড়ায়।  রফতানিতে বরাবরের মতেই অগ্রগামী অবস্থায় আছে দেশের পোশাক খাত।  এ খাত থেকে এসেছে ৪৬ বিলিয়ন ডলার।  এ খাতে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১০ দশমিক ২৭ শতাংশ।  এ ছাড়া ফুটওয়্যারে ৬ দশমিক ৬১ শতাংশ, ক্যাপে ২২ দশমিক ৭১ শতাংশ, ম্যান মেইড ফিলমেন্ট ও স্ট্যাপল ফাইবারে ৪২ দশমিক ৯৮ শতাংশ, প্লাস্টিক পণ্যে ২৬ দশমিক ২৩ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে।  অন্যদিকে পাট জাত পণ্যে ১৯ দশমিক ১ শতাংশ, কৃষি পণ্যে ২৭ দশমিক ৪৭ ও হিমায়িত মাছে ২০ দশমিক ৭৬ শতাংশ নেতিবাচক প্রবৃদ্ধি হয়েছে।  বিদায়ী অর্থবছর শেষে বৈধ পথে প্রবাসী আয় বা রেমিট্যান্স এসেছে ২ হাজার ১৬১ কোটি ডলার।  তার আগের অর্থবছরের তুলনায় প্রবাসী আয় বেড়েছে ৩ শতাংশ।  গত ২০২১-২২ অর্থবছরে প্রবাসী আয় কমেছিল ১৫ দশমিক ২ শতাংশ।  ইপিবির তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, বিদায়ী অর্থবছরে তৈরি পোশাক, প্লাস্টিক পণ্য ও চামড়াবিহীন জুতার রফতানি বেড়েছে।  অন্যদিকে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, পাট ও পাটজাত পণ্য, হিমায়িত খাদ্য, কৃষি প্রক্রিয়াজাত পণ্য, হোম-টেক্সটাইল ও প্রকৌশল পণ্যের রফতানি কমেছে।  ইপিবির তথ্যানুযায়ী, সদ্য বিদায়ী অর্থবছরে ৪ হাজার ৬৯৯ কোটি ডলারের তৈরি পোশাক রফতানি হয়েছে।  এই রফতানি গত ২০২১-২২ অর্থবছরের তুলনায় ১০ দশমিক ২৭ শতাংশ বেশি।  তৈরি পোশাকের পর দ্বিতীয় সর্বোচ্চ চামড়া ও চামড়াজাত পণ্যের রফতানি হয়েছে ১২২ কোটি ডলারের।  এ ক্ষেত্রে রফতানি কমেছে পৌনে ২ শতাংশ।  বছরের শেষ মাস জুনে আগের বছরের একই মাসের তুলনায় রফতানি আয় ২ দশমিক ৫১ শতাংশ বেড়েছে।  জুন মাসে ৫৩১ কোটি ডলার বা ৫ দশমিক ৩১ বিলিয়ন ডলার হয়েছে।  জুনে রফতানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৫ দশমিক ৬৬ বিলিয়ন ডলার।  লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে কম ৯ দশমিক ৬১ শতাংশ অর্জিত হলেও প্রবৃদ্ধি হয়েছে আড়াই শতাংশ।  গত বছরের এ সময়ে ৪ দশমিক ৯০ বিলিয়ন ডলারের পণ্য রফতানি হয়েছে। 


keya