১১:২৪ এএম, ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, শনিবার | | ১৪ শা'বান ১৪৪৫




২৭ মার্চের নাটক সাজাতে চায় বিএনপি মন্তব্য নাছিরের, আ.লীগ জিয়ার নাম মুছেতে চায়: মির্জা ফখরুল

২৮ মার্চ ২০২২, ১২:৫৮ পিএম |


নকিব ছিদ্দিকী:

বিএনপির কোনো রাজনীতি নেই উল্লেখ করে নগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আ জ ম নাছির উদ্দীন বলেছেন, রাজনীতিবিহীন এই দলটির জন্ম হয়েছিল ক্যান্টনমেন্টে।  সামরিক উর্দি পরা কিছু সামরিক কর্মকর্তার ইন্দনে এবং জিয়ার রাষ্ট্রদ্রোহিতা মূলক অপতৎপরতায় বিএনপি জন্মগ্রহণ করেছে।  বিএনপি জন্ম ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে, দলটির জন্মই আজন্মের পাপ।  তাই মিথ্যাচার ও ইতিহাস বিকৃতি তাদের একমাত্র অবলম্বন, যা ভয়ানক অপরাধও।   রোববার (২৭ মার্চ) সকালে নগর আওয়ামী লীগের মাসব্যাপী স্বাধীনতা দিবসের কর্মসূচির অংশ হিসেবে কালুরঘাটস্থ বাংলাদেশ বেতারের ট্রান্সমিশন সম্প্রচার কেন্দ্রের সামনে অনুষ্ঠিত ইতিহাস বিকৃতকারী ও স্বাধীনতাবিরোধী শক্তির ঘৃণ্য অপচেষ্টার প্রতিবাদে অনুষ্ঠিত বিশাল গণজমায়েতে তিনি এসব কথা বলেন।    তিনি আরো বলেন, জিয়া জীবদ্দশায় কখনো নিজেকে স্বাধীনতার ঘোষক হিসেবে দাবি করেননি।  জিয়াউর রহমান ১৯৭১ সালের সাতই মার্চ স্বাধীন বাংলা বিপ্লবী বেতার কেন্দ্র থেকে বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার ঘোষণাটি পাঠ করেছিলেন।  ছাব্বিশে মার্চ স্বাধীনতার ঘোষণাটি প্রথম পাঠ করেছিলেন আওয়ামী লীগ নেতা এমএ হান্নান।  এ ঘোষণাটি পাঠের পর তখন আওয়ামী লীগ নেতৃত্ব সিদ্ধান্ত নেয় যে, প্রতিরোধ যুদ্ধরত কোনো সামরিক কর্মকর্তার মাধ্যমে ঘোষণাটি পাঠ হলে জাতি উজ্জীবিত হবে, তাই প্রতিরোধ যুদ্ধের রণাঙ্গন থেকে পলাতক মেজর জিয়াকে দক্ষিণ চট্টগ্রামের করলডেঙ্গা পাহাড় থেকে আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ কালুরঘাটে নিয়ে আসেন এবং স্বাধীনতার ঘোষণাটি তার দ্বারা পাঠ করানো হয়।  আসলে এটাই ছিল প্রতিরোধ যুদ্ধের একটি রণ কৌশল।  এটাই ইতিহাসের প্রকৃত সত্য।  এদিকে রোববার (২৭ মার্চ) দুপুরে নগরের পলোগ্রাউন্ড মাঠে আয়োজিত সমাবেশে আওয়ামী লীগ ইতিহাস বিকৃতির মাধ্যমে জিয়াউর রহমানের নাম মানুষের মন থেকে মুছে ফেলতে চায় বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।  তিনি বলেন, চট্টগ্রাম থেকেই সরকার পতনের অন্দোলন শুরু করতে হবে।  ভোটের অধিকার কেড়ে নিয়ে দেশকে অকার্যকর রাষ্ট্র পরিণত করেছে তারা।   অনতিবিলম্বে জনগণের ভোটের অধিকার দিতে হবে।  বিএনপির মহাসচিব বলেন, স্বাধীনতার ৫০ বছরে আওয়ামী লীগ যতবার ক্ষমতায় এসেছে ততবারই ইতিহাস বিকৃতি করেছে।  তারা মানুষের মন থেকে জিয়ার নাম মুছে ফেলতে চায়।  এ সময় বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, ইতিহাসের সত্য কথা বললে আওয়ামী লীগের গা জ্বলে।  তাই আমাদের কালুরঘাট যেতে দেয়নি তারা।  আমাদের আওয়ামী লীগের লোকজন ভয় পায়।  তাই আওয়ামী লীগের প্রশাসন আমাদের কালুরঘাট যেতে দেয়নি।   


keya