৫:২২ পিএম, ৪ মার্চ ২০২৪, সোমবার | | ২৩ শা'বান ১৪৪৫




পরিবহনে চাঁদা আদায়ে জড়িত ৩০ জনকে হাতেনাতে গ্রেফতার

০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ১২:২৫ পিএম |


এসএনএন২৪ ডেস্ক : | চট্টগ্রামে পরিবহনে চাঁদাবাজির সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করেছে র‌্যাব।  গ্রেফতার করা হয়েছে পরিবহন থেকে অবৈধভাবে প্রকাশ্যে চাঁদা আদায়ে জড়িত ৩০ ব্যক্তিকে।  মঙ্গলবার (৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে নগরীর পাঁচটি স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।  র‌্যাব-৭ এর সিনিয়র সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) মো নূরুল আবছার এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, চট্টগ্রামে পণ্যবাহী ট্রাক, যাত্রীবাহী বাস, মাইক্রোবাস, সিএনজি অটোরিকশাসহ বিভিন্ন ধরনের যানবাহন থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ ওঠে।  মহানগরীসহ জেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করে চাঁদাবাজির সঙ্গে জড়িত ৩০ জনকে হাতেনাতে আটক করা হয়।  তিনি জানান, চান্দগাঁও থানাধীন কাপ্তাই রাস্তার মাথায় যাত্রীবাহী সিএনজি থেকে চাঁদা আদায়ের সময় ১৩, একই থানাধীন বালুর টাল এলাকা থেকে ৪, পাহাড়তলী থানাধীন হোটেল মেরিন সিটির সামনে থেকে যাত্রীবাহী মিনিবাস থেকে চাঁদা আদায়ের সময় ৪, আকবরশাহ ও এ কে খান মোড় থেকে ৩ এবং বায়েজিদ থানাধীন অক্সিজেন মোড় থেকে যাত্রীবাহী মিনিবাস ও টেম্পু থেকে চাঁদা আদায়কারী আরও ৬ জনসহ মোট ৩০ জনকে গ্রেফতার করা হয়।  এ সময় তাদের কাছ থেকে নগদ ৪১ হাজার ৫৬৩ টাকা উদ্ধার করা হয়।  গ্রেফতারদের উদ্ধৃতি দিয়ে র‌্যাব জানিয়েছে, চান্দগাঁও থানাধীন কাপ্তাই রাস্তার মাথা এলাকায় রিয়াদ এবং বখতিয়ার উদ্দিন সিকদারের নেতৃত্বে চাঁদা আদায় অবস্থায় হাতেনাতে ১৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়।  তারা প্রতিদিন সিএনজি অটোরিক্শা থেকে মাসিক এক হাজার টাকা করে চার লাখ টাকা আদায় করে।  ওই চাঁদার অর্থ শাহেদ রানা ও আবুল হোসেন নামের ব্যক্তির কাছে জমা করতেন।  একইভাবে চান্দগাঁও থানার বালুর টাল এলাকায় রুবেল ওরফে ইয়াবা রুবেল এবং মিজানের নেতৃতে চাঁদা আদায় অবস্থায় হাতেনাতে চার জনকে গ্রেফতার করা হয়।  তারা প্রতিদিন ৩০ টাকা করে আনুমানিক ২০০টি ট্রাক থেকে ছয় হাজার টাকা চাঁদা আদায় করে।  চাঁদার টাকা সবুর এবং শফিক নামে দুই ব্যক্তির কাছে জমা করতেন।  পাহাড়তলী থানা এলাকায় পেয়ার আহমেদের নেতৃত্বে চাঁদা আদায় অবস্থায় চার জনকে গ্রেফতার করা হয়।  গ্রেফতারদের টমটম/সিএনজি অটোরিকশা থেকে মাসে ৮০০ টাকা করে ৮০ হাজার টাকা চাঁদা আদায় করে।  চাঁদার টাকা খলিলুর রহমান নামে এক ব্যক্তির কাছে জমা দিতেন।  আকবরশাহ এবং এ কে খান মোড় এলাকায় নারায়ণ দের নেতৃত্বে চাঁদা আদায় অবস্থায় তিন জনকে গ্রেফতার করা হয়।  তরা মিনিবাস থেকে প্রতিদিন ১০০ টাকা করে চাঁদা আদায় করেন।  চাঁদার টাকা সমু এবং নিপু নামে দুই ব্যক্তির কাছে জমা দিতেন।  বায়েজিদ বোস্তামী থানাধীন অক্সিজেন মোড় এলাকায় সোহেলের নেতৃত্বে চাঁদা আদায় অবস্থায় হাতেনাতে ৬ জনকে গ্রেফতার করা হয়।  তারা মিনিবাস এবং টেম্পু থেকে মাসিক ৮০০ টাকা করে ৮০ হাজার টাকা চাঁদা আদায় করেন।  চাঁদার টাকা নূরুল হক পুতু নামে এক ব্যক্তির কাছে জমা করে বলে র‌্যাবকে জানিয়েছেন।  র‌্যাব জানায়, গ্রেফতার ৩০ জনের মধ্যে ১০ জনের নামে হত্যা, দস্যুতা, লুণ্ঠন, চাঁদাবাজি, চুরি, ডাকাতিসহ অসংখ্য মামলা রয়েছে। 


keya