৬:২৯ পিএম, ৪ মার্চ ২০২৪, সোমবার | | ২৩ শা'বান ১৪৪৫




নির্বাচনের ফল প্রকাশে দেরি, বিক্ষোভের ডাক পিটিআইয়ের

১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ০৯:৫৪ পিএম |


আন্তর্জাতিক ডেস্ক : পাকিস্তানে ভোটগ্রহণের পর প্রায় ৪৮ ঘণ্টা কেটে গেলেও এখনও ফল প্রকাশ করেনি দেশটির নির্বাচন কমিশন।  এদিকে, দীর্ঘ সময় পার হওয়ার পরও ফল প্রকাশ না করায় বিক্ষোভে ফেটে পড়েছেন দেশটির বিভিন্ন দলের নেতাকর্মীরা।  এর প্রতিবাদ করা গুলি চালানো হয়েছে একটি দলের প্রধানের ওপর।  একই কারণে আগামীকাল দেশব্যাপী বিক্ষোভের ডাক দিয়েছে ইমরান খানের দল তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই)।  বিক্ষোভের ডাক পিটিআইয়ের নির্বাচনের সব আসনের ফল প্রকাশে দেরি করায় রবিবার দেশব্যাপী বিক্ষোভের ডাক দিয়েছে পিটিআই।  দলের চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার গোহর আলি খান সব নেতাকর্মী ও সমর্থকদেরকে রবিবার আঞ্চলিক নির্বাচন অফিসগুলোর সামনে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ করতে আহ্বান জানিয়েছেন।  পিটিআই প্রতিষ্ঠাতা ইমরান খানের নির্দেশনা অনুযায়ী ব্যারিস্টার গোহর বলেন, যে নির্বাচনি এলাকায় ফল প্রকাশে বিলম্ব করা হয়েছে সেখানে বিক্ষোভ সমাবেশ করতে হবে।  কারণ ফল প্রকাশে বিলম্ব করে জয়ী আসনগুলোকে আন্তর্জাতিকভাবে পরাজয় দেখাচ্ছে।  এনডিএম প্রধানের ওপর হামলা দেশটির সংবাদমাধ্যম ডনের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভোটের ফল প্রকাশে সময় ক্ষেপণের প্রতিবাদ করায় দেশটির উত্তর ওয়াজিরিস্তানে এনডিএম দলের প্রধানের ওপর হামলা চালানো হয়েছে।  কয়েকটি বুলেট বিদ্ধ হয়েছে তার শরীরে।  তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন তার দলের নেতা বুশরা গোহর।  বুশরা এটিকে কাপুরুষের মতো হামলা বলে উল্লেখ করেছেন।  এর জন্য দেশটির নির্বাচন কমিশনকে দায়ী করেছেন এই নেতা।  এই হামলার ঘটনায় নিন্দা জানিয়েছেন পাকিস্তানের রাজনীতিক ও মানবাধিকার কর্মীরা।  ভোটের ফলের সর্বশেষ পরিস্থিতি ভোট গ্রহণের ৫০ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও এখনও পূর্ণাঙ্গ ফল প্রকাশ করা হয়নি।  ২৫২টি আসনের ফল জানা গেছে।  সেখানে ৯৯ আসনে জয়ী হয়েছেন ইমরান খানের দল পাকিস্তান পিটিআই স্বতন্ত্র প্রার্থীরা।  অপর দিকে ৭১ আসন পেয়েছে নওয়াজ শরিফের নেতৃত্বাধীন পাকিস্তান মুসলিম লীগ-নওয়াজ (পিএমএলএন)।  বিলাওয়াল ভুট্টো জারদারির নেতৃত্বাধীন পাকিস্তান পিপলস পার্টি (পিপিপি) পেয়েছে ৫৩ আসন।  এখনও ১৩টি আসনের ফলাফল ঘোষণা বাকি রয়েছে।  তবে পিটিআই দাবি করছে, তারা ১৭০টি আসনে জয় পেয়েছে।  দলটির চেয়ারম্যান গোহর আলী খান বলেছেন, তাদের নেতা ইমরান খানই দেশের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী নির্বাচন করবেন।  নির্বাচনে কোনও দল একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়নি।  ফলে জোটবদ্ধভাবে সরকার গঠন করতে হবে।  বলা বাহুল্য যে, পাকিস্তানে জোট সরকার ক্ষমতায় আসতে যাচ্ছে।  তবে কোন কোন দলের মধ্যে জোট হতে পারে সেটি এখনও বলা যাচ্ছে না।  জোট নিয়ে নওয়াজ শরীফের দল পিএমএল-এন বিভিন্ন দলের সঙ্গে যোগাযোগের কথা বললেও অন্যান্য দল সেসব নাকচ করে দিয়েছেন।  এদিকে জোট সরকার গঠনের জন্য পিএমএল-এন, পিটিআই ও অন্যদের সঙ্গে কোনও আনুষ্ঠানিক আলাপ করেননি পিপিপি-র নেতা বিলওয়াল ভুট্টো। 


keya