৬:১২ এএম, ১৯ জুন ২০২৪, বুধবার | | ১২ জ্বিলহজ্জ ১৪৪৫




রাঙ্গুনিয়ায় কুকুরের আক্রমণে ইকোপার্কে দুটি হরিণের মৃত্যু

০৪ জুন ২০২৪, ০৬:৪৯ পিএম |


রাঙ্গুনিয়া প্রতিনিধি: চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ার শেখ রাসেল অ্যাভিয়ারি অ্যান্ড ইকোপার্কে ঢুকে খাঁচায় থাকা দুটি হরিণ মেরে ফেললো বন্য কুকুর।  গতকাল সোমবার (৩ জুন) সকালে এ ঘটনা ঘটে।  পার্কে দিনের বেলায় এমন ঘটনায় সংশ্লিষ্ট দায়িত্বরত কর্মীদের অবহেলার কারণ হিসেবে দেখছেন স্থানীয় ও সংশ্লিষ্টরা।  হরিণের মৃত্যুর ঘটনার জন্য বনবিভাগের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ তদন্ত কমিটি গঠন করেছে।  তদন্তে দায়িত্ব অবহেলায় হরিণের মৃত্যুর প্রমাণ পেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে জানিয়েছেন বনবিভাগ।  সংরক্ষিত পার্কে দিন দুপুরে বন্য কুকুরের দল কিভাবে পার্কে ঢুকে খাঁচায় থাকায় হরিণের ওপর আক্রমণ করে তা রহস্যজনক মনে করছেন অনেকেই।  এছাড়াও বিরল প্রজাতির পাখি ঝুঁকির মাঝে রয়েছে।  পার্কের পরিচালক ও বনবিভাগের রাঙ্গুনিয়া রেঞ্জ কর্মকর্তা নাহিদ হাসানের দাবি, খুব ভোরবেলা কিছু বন্য কুকুর পার্কে ঢুকে পড়ে।  খাঁচার পাশে সিঁদ কেটে ঢুকে মায়া ও চিত্রা দুটি হরিণ কামড় দিয়ে মেরে ফেলে।  মৃত হরিণ দুটির ময়না তদন্ত করা হবে।  বেঁচে যাওয়া অন্য দুটি হরিণকে জলাতংক ভেক্সিন দেয়া হবে। ' এবিষয়ে পার্কের জুনিয়র ওয়াইল্ড লাইফ স্কাউট হাসিবুর রহমান বলেন, 'খাঁচার ওখানে ওই সময় জাকেরুল ইসলাম নামে এক কর্মীর দায়িত্ব থাকার কথা, কিন্তু তিনি ওই সময়ে ছিলেন না।  " এবিষয়ে চট্টগ্রাম বিভাগীয় বনকর্মকর্তা (ডিএফও) আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, 'হরিণের মৃত্যুর ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।  প্রতিবেদনে কারো দায়িত্ব অবহেলার প্রমাণ পাওয়া গেলে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে। ' স্থানীয় লোকজন ও সংশ্লিষ্টদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, সোমবার সকালে ৬ থেকে ৭ টি বন্য কুকুর পার্কে ঢুকে খাঁচায় থাকা ৪টি চিত্রা ও মায়া হরিণের ওপর আক্রমণ করে।  এসময় দুটি হরিণকে কামড়ে মেরে ফেলে।  পরে চিৎকার শুনে পার্কের কার্যালয়ে থাকা কয়েকজন কর্মী গিয়ে কুকুরগুলোকে ধাওয়া করে অন্য দুটি হরিণকে রক্ষা করে।  দীর্ঘদিন ধরে অভিযোগ আছে, পার্কের প্রকল্পভুক্ত বেশিরভাগই কর্মী নিয়মিত দায়িত্ব পালন না করে মাস শেষে বেতন তুলে নেন।  পার্কের নানা অব্যবস্থাপনা ও কর্মীদের দায়িত্ব অবহেলার কারনে সুনাম নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি পার্কটির চলমান কার্যক্রম বিঘ্নিত হওয়ার আশংকা দিয়েছে। 


keya