৪:৪৯ এএম, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, বৃহস্পতিবার |
| ৯ রমজান ১৪৪৭

ডেস্ক রিপোর্ট :
রোজার অন্যতম আমল ও ইবাদত ইফতার করা। ইফতার হলো সারা দিন রোজা রেখে সূর্যাস্তের পরই খাদ্য বা পানীয় গ্রহণ করে রোজা ভঙ্গ করা। সূর্যাস্তের পর পরই ইফতার করা উত্তম। বিলম্ব করে ইফতার করা উচিত নয়। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘মানুষ যত দিন দ্রুত ইফতার করবে, তত দিন তারা কল্যাণের ওপর থাকবে। ’ (সহিহ বুখারি, হাদিস : ১৯৫৭)
রোজাদারের জন্য ইফতার বেশ আনন্দের। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘রোজাদারের জন্য দুটি আনন্দ—একটি ইফতারের সময়, অপরটি তার রবের সাক্ষাৎ লাভের সময়। ’ (সহিহ বুখারি, হাদিস : ১৯০৪)
ইফতারের আগে আল্লাহর কাছে মনের কথাগুলো বলতে হবে। প্রয়োজনটা তাঁর কাছে তুলে ধরতে হবে। তিনি প্রয়োজন পূরণ করবেন। কারণ এ সময় রোজাদারের দোয়া কবুল হয়। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘তিন ব্যক্তির দোয়া ফিরিয়ে দেওয়া হয় না: এক. ন্যায়পরায়ণ শাসক, দুই. রোজাদার যখন সে ইফতার করে এবং তিন. অত্যাচারিত ব্যক্তির দোয়া। ’ (সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদিস : ১৭৫২)। ইফতারের আগে দোয়া করে নেওয়া উত্তম।
ইফতারের দোয়া
بسم الله اَللَّهُمَّ لَكَ صُمْتُ وَ عَلَى رِزْقِكَ اَفْطَرْتُ
ইফতারের দোয়ার বাংলা উচ্চারণ
বিসমিল্লাহি, আল্লাহুম্মা লাকা সুমতু, ওয়া আলা রিজকিকা আফতারতু।
ইফতারের দোয়ার বাংলা অর্থ
আল্লাহর নামে শুরু করছি, হে আল্লাহ, আমি আপনার উদ্দেশে রোজা রেখেছি এবং আপনার দেওয়া রিজিক দিয়ে ইফতার করছি । আপনি আমার রোজা কবুল করুন।