৬:৩৪ এএম, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, বৃহস্পতিবার | | ৯ রমজান ১৪৪৭




রোজার শেষে পানিশূন্যতা রোধে করণীয়

২৫ মার্চ ২০২৫, ০৩:৪৯ পিএম | মোহাম্মদ হেলাল


এসএনএন২৪ডেস্ক :  পবিত্র রমজান মাস প্রায় শেষ দিকে।  রমজান শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে অনেকেরই পানিশূন্যতা দেখা দেয়।  বিশেষ করে বয়স্ক ব্যক্তিরা দীর্ঘ সময় রোজা থাকার কারণে খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন ও পানিশূন্যতা থেকে উচ্চতর স্বাস্থ্য ঝুঁকির সমস্যায় পড়েন। 

এ কারণে পানিশূন্যতা রোধে আগেই সতর্ক হওয়া উচিত। 

প্রাপ্তবয়স্কদের অন্তর্নিহিত বিভিন্ন স্বাস্থ্য সমস্যা থাকতে পারে।  রমজান মাসে রোজা থাকার কারণে সেসব সমস্যা অনেক সময়ই বেড়ে যায় বা জটিলতা সৃষ্টি করে।  এ কারণে বিষয়টি গুরুত্ব দেয়ার কথা বলা হয়।  আবার পানিশূন্যতা থেকে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ ফুলে যাওয়া, প্রস্রাবের সমস্যা ও অভ্যন্তরীণ রক্তপাতের মতোও জটিলতা হতে পারে।  এবার তাহলে সংবাদমাদ্যম ডেইলি পাকিস্তানের প্রতিবেদন অনুযায়ী, পানিশূন্যতা রোধে করণীয়গুলো জেনে নেয়া যাক। 

পানিশূন্যতার লক্ষণ: বয়স্ক ব্যক্তিদের মধ্যে পানিশূন্যতা বিভিন্নভাবে দেখা দিতে পারে।  এসবের মধ্যে রয়েছে প্রস্রাব গাঢ় বা লালচে হওয়া- সাধারণত কিডনির সমস্যা সংক্রমণের সম্ভাব্য লক্ষণ হলে প্রস্রাব গাঢ় বা লালচে হয়। 

হাত-পা ফোলা: শরীরে তরল বা পানি জমে রাখার ইঙ্গিত হিসেবে হাত-পা ফুলে থাকে।  যা হৃৎপিণ্ড বা কিডনির সমস্যার লক্ষণ হিসেবে হয়ে থাকে। 

শক্ত খাবার খেতে সমস্যা: পানিশূন্যতা ও পুষ্টির ঘাটতি থেকে দুর্বলতা দেখা দেয়।  অনেক সময় ক্ষুধাভাবও কমে যায়। 

মলদ্বার থেকে রক্তপাত: এটি খুবই উদ্বেগজনক লক্ষণ।  যা গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল সমস্যার সঙ্গে যুক্ত থাকতে পারে।  এ সমস্যা পানিশূন্যতার জন্য আরও জটিল হতে পারে।    

হাইড্রেটেড থাকার উপায়:
তরল গ্রহণ বাড়ানো: ইফতার ও সেহরির পর শুধু জুস বা দুধের ওপর নির্ভর না করে পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি পান করতে হবে। 

প্রস্রাবের রঙ পর্যবেক্ষণ করা: প্রস্রাব হালকা হলুদ হলে সঠিক হাইড্রেশনের লক্ষণ।  আবার গাঢ় বা লালচে হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়ার প্রয়োজন হতে পারে। 

লবণাক্ত ও প্রক্রিয়াজাত খাবার না খাওয়া: অনেকেই মুখের স্বাদে লবণাক্ত ও প্রক্রিয়াজাত খাবার খেয়ে থাকেন।  এসব খাবার এড়িয়ে চলতে হবে।  এসব খাবার পানিশূন্যতা ও ফোলাভাব বাড়াতে পারে।  তবে পর্যাপ্ত পরিমাণ তরলজাতীয় ফল এবং শাকসবজি খেতে পারেন। 

লক্ষণ অস্বাভাবিক হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে: ফোলাভাব যদি ক্রমাগত থেকে যায় বা বাড়ে, প্রস্রাবে যদি রক্ত আসে বা গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল রক্তপাত হলে কালক্ষেপণ না করে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের দ্বারস্থ হতে হবে। 

বিশ্রাম ও পুষ্টিকর খাবার খাওয়া: রোজার পর একটি সুষম খাদ্য পুনরুদ্ধারের চেষ্টা করতে হবে।  পাশাপাশি নিজেকে হাইড্রেটেড রাখে এমন সব খাবার খেতে হবে। 


keya